ইন্টারনেটের ইতিহাস

আপনি কি জানতে চান ইন্টারনেট এর ইতিহাস? কে ইন্টারনেটের আবিস্কারক, ইন্টারনেট আবিস্কারে ARPANET এর ভুমিকা, নেটওয়ার্কের শিকড় কোথায়, ইন্টারনেটের অফিসিয়াল জন্মদিন কবে?

আজকের এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে আপনি আরও জানতে পারবেনঃ পৃ্থিবীর প্রথম ডোমেইন এর নাম কি, প্রথম ISP কোম্পানি কোনটি, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব আবিষ্কার কবে হয়েছিল, ১৯৯১ সালে ইন্টারনেটে স্পীড কেমন ছিল, এবং বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ইতিহাস সম্পর্কে। এই ইন্টারনেট এর গল্প টি ভাল ভাবে পড়ুন, তাহলে আপনি জানতে পারবেন ইন্টারনেটের আবিষ্কার কিভাবে হয়েছিল বা ইন্টারনেট আবিস্কারের ইতিহাস সম্পর্কে।

আমরা অনলাইন থেকে অনেক রিসার্চ করে ইন্টারনেট এর প্রকৃত মালিক কে, ইন্টারনেট এর অরিজিন এবং ইন্টারনেট কোথা থেকে এলো তা নিয়ে আজের এই আর্টিকেল ও ভিডিওটি সাজিয়েছি, আশা করি ইন্টারনেট ইতিহাসে যা কিছু প্রথম, ইন্টারনেটের ক্রমবিকাশ এবং বাংলা ভাষার ইন্টারনেটের ইতিহাস বিষয়ক আর্টিকেল ও ভিডিওটি আপনার ভাল লাগবে।

কে ইন্টারনেটের আবিস্কারক?

আমাদের অনেকের মাঝেই ইন্টারনেট এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) সৃষ্টি নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে, কে এই ইন্টারনেট সৃষ্টি করল? কিভাবে কোথা থেকে আসল এই  ইন্টারনেট?, এই সকল প্রশ্নের উত্তর পেতে দেখুন আজকের ইন্টারনেটের ইতিহাস বিষয়ক ভিডিওটি বা বিস্তারিত জানতে পারবেন এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে।

আসলে ইন্টারনেট কেও একা আবিস্কার করেনি, অনেক গুলি বিজ্ঞানীর বিভিন্ন ধরনের গবেষণা থেকে উঠে এসেছে ইন্টারনেট। অনেকেই বিশ্বাস করে যে “WWW” এবং ইন্টারনেট একই জিনিস, কিন্তু  আসলে বাস্তবে এটি সত্য নয়।

আজ আপনি ইউটিউবের মাধ্যমে যে ভিডিও টি দেখতে পাচ্ছেন তার একমাত্র অবদান হচ্ছে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের, মানে গোটা বিশ্ব টা আপনার হাতের নাগালে চলে এসেছে এই ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব আবিষ্কারের মাধ্যমে৷

অপরদিকে ইন্টারনেট শব্দের বাংলা অর্থ হল অন্তর্জাল, ইন্টারনেট মুলত বিশ্বের অনেকগুলো কম্পিউটার ও ডিভাইসের মধ্যে আন্তঃসংযোগ সৃষ্টি করার মাধ্যম বা নেটওয়ার্ক, যেখানে ইন্টারনেট প্রটোকল বা সংক্ষেপে আইপির মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে।

9 Nikola-Tesla-Publicity-photo-laboratory-Colorado-Springs-December-1899-min
N.Tesla
Nicola Tesla

ইন্টারনেটের অস্তিত্ব তৈরির অনেক আগে থেকেই মানুষের ধারণা ছিল তথ্য আদান-প্রদান করার। যেমন ১৯০০ এর দশকের গোড়ার দিকে, নিকোলা টেসলার একটি “World Wireless System” সম্পর্কে ধারণা দিয়েছিলেন।

১৯৩৪ -সালে, পল ওটলেট “রেডিয়েটেড লাইব্রেরি” সম্পর্কে লিখেছেন, গবেষনাটি  ছিল এমন যেঃ টেলিভিশন সংযোগ কে  ব্যবহার করে টিভি দর্শক দের কে বিশ্বকোষীয় জ্ঞানের সাথে সংযুক্ত করবে।

১৯৬০ -এর দশকের গোড়ার দিকে বিজ্ঞানীরা প্রযুক্তির পূর্বের ইতিহাস থেকে কিছু ধারণা ব্যবহার করে কিছু একটা সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়।

ইন্টারনেট আবিস্কারে ARPANET এর ভুমিকাঃ

Advanced Research Projects Agency (ARPA) এই সংস্থাটি সৃষ্টি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ড. ডুইট আইজেনহাওয়ার, দিনটি ছিল ৭ই ফেব্রুয়ারি ১৯৫৮ সাল।

যা Defense Advanced Research Projects Agency (DARPA) নামেও পরিচিত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের একটি গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা, যা সামরিক বাহিনীর তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যা ভবিষ্যতে ইন্টারনেটের ভিত্তি ARPANET তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

DARPA

এই প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন হয় ARPA থেকে DARPA, মার্চ ১৯৭২ সালে।

ফেব্রুয়ারী .১৯৯৩ সালে আবার ARPA তে পরিবর্তিত হয়, 

তারপর শেষ ১৯৯৬ সালের মার্চ মাসে আবার DARPA তে ফিরে আসে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের একটি শাখা ১৯৬০-এর দশকের শেষের দিকে Advanced Research Projects Agency Network (ARPANET) এর উন্নয়নে অর্থায়ন করে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের উন্নত গবেষণা প্রকল্প সংস্থা (ARPA) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস এজেন্সি নেটওয়ার্ক (ARPANET) ছিল প্রথম বিসতৃত এলাকা প্যাকেট-সুইচ নেটওয়ার্ক বিতরণ নিয়ন্ত্রক এবং TCP/IP প্রোটোকল বাস্তবায়নের প্রথম নেটওয়ার্কগুলির মধ্যে একটি। উভয় প্রযুক্তিই ইন্টারনেটের প্রযুক্তিগত ভিত্তি হয়ে ওঠে। 

এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে পেন্টাগনের আর্থিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের  কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত করা।

নেটওয়ার্কের শিকড় কোথায়?

আমেরিকা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের যুদ্ধের সময়, আমেরিকান মিলিটারির কমান্ডরা কম্পিউটারের মধ্য দিয়ে যোগাযোগ করার জন্য এমন একটি মাধ্যম খুজছিলেন যার কোন সদর দপ্তর থাকা যাবে না, অথবা এমন একটি ভিত্তি থাকতে হবে যেখানে শত্রু পক্ষ আক্রমন করে কোন ভাবেই তাদের যোগাযোগ ব্যাবস্থাকে ধ্বংস করতে না পরে।

তবে- ARPANET- কে সামরিক বাহিনীর চেয়ে একাডেমিক কাজেই বেশি গুরত্ব দেয়া হত। কিন্তু যেহেতু একাডেমিক অনেক তথ্যই এই ARPANET-এর সাথে যুক্ত ছিল, তাই সামরিক বাহিনী এটাকে ব্যবহার করতে শুরু করে। আর এখান থেকেই ইন্টারনেট এর আসল ধারনা চলে আসে।

এই ARPANET-ই মার্কিনীদের দুশ্চিন্তার কারন হয়ে দাড়ায়, কারন এটি তাদের যোগাযোগ এর শেষ হাতিয়ার এবং সোভিয়েতরা যেকোন সময় জেট বোমারু বিমান ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিস্ময়কর পারমাণবিক হামলা চালাতে পারে এবং ধ্বংস করে দিতে পারে তাদেরকে।

SAGE_console

১৯৬০-এর দশকে, SAGE (Semi-Automatic Ground Environment) নামে একটি সিস্টেম ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল, যা আগত শত্রুদের বিমানগুলোকে কম্পিউটারের মাধ্যমে ট্র্যাক করতে পারত এবং সামরিক বাহিনীরদেরকে জানিয়ে দিত।

সিস্টেমটিতে ২৩ টি “দিকনির্দেশক কেন্দ্র” অন্তর্ভুক্ত ছিল, প্রতিটিতে একটি বিশাল মেইনফ্রেম কম্পিউটার ছিল যা ৪০০ টি প্লেন ট্র্যাক করতে পারত, এবং শত্রু বোমারু বিমানের থেকে বন্ধুত্বপূর্ণ বিমানকে আলাদা করে। এই সিস্টেমটি বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ছয় বছর সময় লেগেছে এবং খরচ হয়েছে $৬১ বিলিয়ন ডলার।

JCR Licklider

J. C. R. Licklider যিনি ছিলেন Information Processing Techniques Office (IPTO) এর প্রথম প্রশাসক এর দায়িত্বে, ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে, লিকলাইডার এবং ওয়েলডেন ক্লার্ক “অন-লাইন ম্যান-কম্পিউটার কমিউনিকেশন” নামে একটি গবেষনা পত্র প্রকাশ করেন, যা ভবিষ্যতের নেটওয়ার্ক কেমন হবে তার প্রথম গবেষনার মধ্যে একটি। J. C. R. Licklider একটি নেটওয়ার্ক বানান যার নাম দেন “Intergalactic Network”। এটি বানানোর একমাত্র কারন ছিল বিশ্বের ভিভিন্ন জায়গার মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করা।

একটা সময়, আমেরিকান কম্পিউটার বিজ্ঞানী পল বারন “Distributed Adaptive Message Block Switching” সিস্টেম তৈরি করেন।

নেটওয়ার্কিং এ তথ্য আদান -প্রদানের জন্য সবচেয়ে বহুল ব্যবহার হত এই সিস্টেম, যার নাম প্যাকেট সুইচিং, যা ইন্টারনেট এর তথ্য গুলোকে বিভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করে এবং আপনি যখন কোন তথ্য ইন্টারনেট এর মাধ্যমে দেখতে চান তখন সেই খন্ড খন্ড অংশ গুলোকে একত্রিত করে আপনার সামনে পূর্ণাঙ্গ তথ্য হিসেবে প্রদর্শন করে।

Bob Kahn

ARPA -তে বব কান, এবং স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির এর পক্ষ থেকে ভিন্ট সার্ফ, ১৯৭৪ সালে গবেষণা প্রকাশ করে ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল (টিসিপি) আবিস্কার করেন, কিন্তু তখন পর্যন্ত একটি কম্পিউটারের সাথে অন্য কম্পিউটার কে সংযুক্ত করা সম্ভব ছিল না।

১৯৭৬ সালে ড. রবার্ট মেটক্যাফ Ethernet Cable বানান, যার ফলে অনেক গুলি কম্পিউটার একে অপরের সাথে যুক্ত হতে সক্ষম হয়, এবং ফলে যেকোন ধরনের তথ্য দ্রুত ট্রান্সফার করা যায়, ড. রবার্ট মেটক্যাফ এই সিস্টেম এর নাম দেন Local Area Network বা সংক্ষেপে বলা হয় LAN।

ইন্টারনেটের অফিসিয়াল জন্মদিন

“ইন্টারনেট” শব্দটি ১৯৮৩ সালে গৃহীত হয়েছিল, যে সময়ে যখন টিসিপি/আইপি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
জানুয়ারী ১, ১৯৮৩ ইন্টারনেটের অফিসিয়াল জন্মদিন হিসাবে বিবেচিত হয়। ট্রান্সফার কন্ট্রোল প্রোটোকল/ইন্টারনেটওয়ার্ক প্রোটোকল (টিসিপি/আইপি) নামে একটি নতুন যোগাযোগ প্রোটোকল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। যার সাহায্যে প্রতিটি কম্পিউটারে একটি ইউনিক আইডি তৈরি হয়। 

১৯৮৩ সালে, ARPANET কে ২টি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছিল, যার একটি নাম দেয়া হয়েছিল মিলনেট, যা সামরিক ও প্রতিরক্ষা কাজে ব্যাবহার করার জন্য এবং ARPANET এর অন্য আরেকটি  হচ্ছে বেসামরিক সংস্করণ বা সাধারন মানুষ দের জন্য। এই দুটি নেটওয়ার্কের সংমিশ্রণকে সহজ ভাবে উপস্থাপন করার জন্য “ইন্টারনেট” শব্দটি সৃস্টি হয়।

পৃ্থিবীর প্রথম ডোমেইন এর নাম কি?

১৯৮৩ সাল পর্যন্ত কম্পিউটার শুধুমাত্র তথ্য আদান-প্রদান, ক্যালকুলেশন এর কাজে ব্যাবহার করা হত। ১৯৮৪ সালে জন পস্টলে .com  ডোমাইন এক্সটেনশন বানান এবং সেই সময় নিবন্ধিত প্রথম ডোমেইনটির নাম ছিল Symbolics.com

এর মাধ্যমে Symbolics কোম্পানির ওয়েবসাইট সৃস্টি হয়,  এটি ১৫ মার্চ, ১৯৮৫ সালে কেমব্রিজের একটি কম্পিউটার সিস্টেম কোম্পানি সিম্বলিক্স ইনকর্পোরেটেড পক্ষ থেকে নিবন্ধিত হয়েছিল।

প্রথম ISP কোম্পানি কোনটি?

নিবন্ধিত প্রথম ডোমেইন এর পর থেকে বিভিন্ন কোম্পানি, সরকারি সংস্থা, ইউনিভারসিটির ওয়েব সাইট বানানো শুরু হয়।  

১৯৮৯ সালে বাণিজ্যিক ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী (আইএসপি) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়ায় আবির্ভূত হয়েছিল। প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট ফি দিয়ে ইন্টারনেটকে জনসাধারণের জন্য সরাসরি ব্যবহার করার জন্য ১৯৮৯ সালের নভেম্বরে “দ্যা ওয়ার্ল্ড” ছিল প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাণিজ্যিক আইএসপি কোম্পানি। 

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব আবিষ্কার

tim berners lee

ইংরেজ বিজ্ঞানী টিম বার্নার্স-লি ১৯৮৯ সালে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব আবিষ্কার করেন। তিনি ১৯৯০ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভার সিইআরএন-এ চাকরি করার সময় প্রথম ওয়েব ব্রাউজার সম্পর্কে লিখেছিলেন।

ব্রাউজারটি CERN- এর বাইরে, জানুয়ারী ১৯৯১ সাল থেকে উন্মুক্ত করে দেয়া হয় অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জন্য, তারপর ১৯৯১ সালের আগস্ট মাসে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছিল।

১৯৯৩ থেকে ১৯৯৪ সালের দিকে সকলের জন্য ওয়েবসাইট ব্যবহার করা উন্মুক্ত হয়ে যায়, এবং কোটি কোটি মানুষ ইন্টারনেটে ইন্টারঅ্যাক্ট করার প্রাথমিক হাতিয়ার পেয়ে যায়।

১৯৯১ সালে ইন্টারনেটে স্পীড

১৯৯১ সালে ইন্টারনেটে স্পীড ছিল ১.২ কে বি পি এস, ১৯৯৫ সালে ইন্টারনেট ব্যবহার কারির সংখ্যা ছিল ২,৫৪,৩৭,৬৩৯ জন,  এখন বর্তমানে ইন্টারনেট স্পিড সিঙ্গাপুরে ২২৬.৬ এম্বিপিএস,  Ookla এর মতে, সারাবিশ্বের ১৮১ টি দেশের মধ্যে ইন্টারনেটের স্পিড এর দিক থেকে বাংলাদেশের র‍্যাঙ্ক ৯৮ এবং বর্তমানে আমাদের দেশে এভারেজ স্পিড ৩৮.২৭ এমবিপিএস।

বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ইতিহাসঃ

অফলাইন ইমেইল এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয় সিমীত আকারে ১৯৯৫ সালে। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য ১৯৯৬ সালে প্রথম ভিস্যাট স্তাপন করা হয়, আই.এস.এন নামক একটি আইএসপি- কোম্পানি অনলাইন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করতে শুরু করে।

আর সরকার সর্বসাধারণের জন্য ইন্টারনেট উন্মুক্ত করে ১৯৯৬ সালেই। ডাটা রিপোড়টাল জানুয়ারী ২০২১ সালের এর তথ্য মতে বর্তমানে ৪৭.৬১ মিলিয়ন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে বাংলাদেশে ।

বর্তমান ইন্টারনেটঃ

প্রতিনিয়তি ইন্টারনেটে তথ্যের ভান্ডার বৃব্ধি পাচ্ছে এবং এই তথ্যগুলিকে খুজে বের করা খুব কস্ট সাধ্য হয়ে পরছে, এই সমস্যা দূর করতে আবিস্কার হয় গুগল এর।

Who.is এর ডাটা অনুযায়ী ১৯৯৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বার এ রেজিস্ট্রেশন করা হয় গুগল.কম ডোমেইন টি।

Google Founder

এরপর ৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮ সালে, ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ল্যারি পেজ এবং সের্গেই ব্রিন পিএইচডি করার সময় প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন গুগল সার্চ ইঞ্জিন। 

একে একে চালু হয় ফেসবুক, টুইটার, টিকটক, এবং ইউটিউবের মত জনপ্রিয় কিছু প্লাটফর্ম যার মাধ্যমে দেখছেন আজকের ইন্টারনেট এর ইতিহাস বিষয়ক ভিডিওটি।

আজকের এই বিশ্ব ইন্টারনেট এর উপর নির্ভরশীল, ভেবে দেখুন, যদি এক মুহূর্তের জন্য আপনার হাতের নাগালে ইন্টারনেট না থাকে তবে কেমন হবে? 

ধন্যবাদ আপনাদের সকলকে আমাদের আজকের আয়োজনটির সাথে থাকবার জন্য।

➡️➡️➡️Follow Us Socially

Like Facebook Page: https://www.facebook.com/CyberLoud/

Follow Instagram: https://instagram.com/cyberloudbd

Follow Twitter: https://twitter.com/cyberloudbd

Our website: https://cyberloud.com

⭐For any help please Join Facebook Group:

https://www.facebook.com/groups/3111898959031818

Image Credit:

Video Footage Credit:

রেফারেন্স বা উৎসঃ

আজকের আর্টিকেল টি কেমন লাগল তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন, আর্টিকেলটি ভাল লাগলে অবশই লাইক ও শেয়ার করতে ভুলবেন না এবং পরবর্তী তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক ফ্রী টিপস পেতে নিয়মিত ভিজিট করুন সাইবার লাউড ওয়েবসাইটটি।

ধন্যবাদ
-রেহান হাসান

We will be happy to hear your thoughts

Leave a reply

Cyber Loud
Logo
Reset Password